সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রোববার (৩ মে) রাতে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি।
এ সময় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমানের নেটওয়ার্ক আরো বিস্তৃত করতে সরকার ইতোমধ্যে বোয়িং থেকে ১৪টি নতুন এয়ারক্রাফট ক্রয় করেছে। জাতীয় পতাকাবাহী এ প্রতিষ্ঠানটিকে কেবল লাভজনক করাই আমাদের লক্ষ্য নয়, বরং বিশ্ব দরবারে এটিকে একটি শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাওয়াই সরকারের মূল উদ্দেশ্য।’
তিনি বলেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে বহরে আরো বেশ কিছু উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রোববার রাত ১০টার দিকে সিলেট থেকে ৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে মদিনার উদ্দেশ্যে প্রথম হজ ফ্লাইটটি ছেড়ে যায়। চলতি মৌসুমে সিলেট থেকে মোট সাতটি ডেডিকেটেড ফ্লাইটে ৩,৩৯৪ জন যাত্রী সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে একটি ফ্লাইট মদিনায় এবং বাকি ছয়টি ফ্লাইট জেদ্দা বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। মোট যাত্রীদের মধ্যে ২,৯৩৩ জন সরাসরি সিলেট থেকে যাবেন এবং অবশিষ্ট ৪৬১ জন ঢাকা হয়ে যাত্রা করবেন।
বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সিলেট জেলার ব্যবস্থাপক মো: শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ।
মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত শাহজালাল (র.) দরগাহ মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফিজ মাওলানা আসজাদ আহমদ। বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সিলেট জেলার ট্রাফিক অফিসার জাকির হোসেন সুমনের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্টেশন ম্যানেজার সাকিল আহমদ। এ সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এবারের হজ মৌসুমে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিশেষ নিরাপত্তা ও সেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ। মদিনাগামী প্রথম ফ্লাইটের যাত্রীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিদায় জানান মন্ত্রীসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।



