রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনার তৃতীয় দিনে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল অভিযান পরিচালনা করছেন।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, তৃতীয় দিনের মতো আজ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল অংশ নিয়েছে। রাজবাড়ী সদরের বালিয়াডাঙ্গি গ্রামের মুক্তা নামে এক নারীর অভিযোগ, তার ভাই রিয়াজ ঢাকায় যাচ্ছিলেন বাসে করে। কিন্তু ঘটনার দিন থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মূলত তার লাশের খোঁজেই শুক্রবার সকাল থেকে এই অভিযান শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা স্পিডবোট নিয়ে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখছি, বাইরে কোথাও লাশ ভেসে গিয়েছে কি-না। যেহেতু ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হয়ে গেছে সেহেতু লাশ যদি থেকে থাকে সেগুলো ভেসে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এজন্য আমরা আশপাশের এলাকা তল্লাশি চালাচ্ছি। একই সাথে নদীতে মাইকিং করা হচ্ছে, নদীর কোথাও কোনো লাশ ভেসে যেতে দেখলে যেন দ্রুত খবর দেন।’
এখন পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুনে ফেরিতে ওঠার সময় কুমারখালী-রাজবাড়ী রুটে চলাচলকারী ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এতে এখন পর্যন্ত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।



