সুন্দরগঞ্জে শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বৃষ্টি হওয়ার আধা ঘণ্টা আগেও আকাশ ভালো ছিল। তবে বিকেলে হঠাৎ শুরু হলো বৃষ্টি, সাথে ছোট ছোট শিলা।

রেজাউল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)

Location :

Sundarganj
হঠাৎ শিলাবৃষ্টি, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা
হঠাৎ শিলাবৃষ্টি, ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা |নয়া দিগন্ত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে শিলাবৃষ্টিতে ভুট্টা, বেগুন, মরিচসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ঝরে গেছে আম ও লিচুগাছের মুকুল।

বিভিন্ন এলাকা থেকে জানা গেছে, ভুট্টা, মরিচ, বেগুন, ধানসহ বিভিন্ন ফসল মাটিতে শুয়ে পড়েছে। পড়ে গেছে আম ও লিচুগাছের মুকুল। ফসল বাঁচাতে কৃষকরা জমিতে জমে থাকা পানি বের করে দিচ্ছেন। আবার কোথাও কোথাও কৃষকরা মাটিতে শুয়ে পড়া ভুট্টার গাছগুলো সোজা করার চেষ্টা করছেন।

উপজেলা কৃষি বিভাগের দেয়া তথ্যে জানা যায়, এ বছর সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চার হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল তিন হাজার ৮২০ হেক্টর। মরিচ আবাদ হয়েছে ১২২ হেক্টর জমিতে। এর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২০ হেক্টর। বেগুন আবাদ হয়েছে ৬৫ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৯ হেক্টর।

সোনারায় ইউনিয়নের ভুট্টাচাষি শাহজাহান মিয়া জানান, সারাদিন আকাশ ভালোই ছিল। বৃষ্টি হওয়ার আধা ঘণ্টা আগেও আকাশ ভালো ছিল। তবে বিকেলে হঠাৎ শুরু হলো বৃষ্টি, সাথে ছোট ছোট শিলা। বৃষ্টির মতো শিলা পড়েছে। বেশিক্ষণ বৃষ্টিও হয়নি। বৃষ্টি শেষ হওয়ামাত্র জমিতে গিয়ে দেখি ১৫ শতাংশ জমির প্রায় সবগুলো ভুট্টাগাছ মাটিতে পড়ে আছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশিদুল কবির বলেন, ‘শিলাবৃষ্টির বিষয়ে মানুষের কোনো হাত নেই। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে ফসল বাঁচানোর উপায়গুলো আমাদের কৃষকরা জানেন। তাদের আমরা ফসল বাঁচানোর কলাকৌশল শিখিয়েছি বিভিন্ন প্রশিক্ষণে মাধ্যমে। সামান্য শিলাবৃষ্টিতে তেমন কোনো ক্ষতি হবে না ইনশাল্লাহ।’