সিলেট নগরীতে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে বলায় পাম্পকর্মীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় পাম্প মালিকদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে পাম্পগুলো খুললেও শঙ্কা কাটছে না। কারণ ধর্মঘট প্রত্যাহার করলেও ডিপো থেকে তেল না তোলার ঘোষণায় ফের সংকট দেখা দিচ্ছে।
একইসাথে বিপণন নীতি পরিবর্তন না করলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধেরও ঘোষণা দিয়েছেন তারা। এরই মধ্যে কয়েকটি পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন সিলেটের সাধারণ ভোক্তারা।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে ধর্মঘট প্রত্যাহার ও ডিপো থেকে তেল উত্তোলন না করার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, অ্যাজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিলেট বিভাগীয় শাখা।
এর আগে মঙ্গলবার নগরের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে হামলা মারধরের প্রতিবাদে ধর্মঘট ডাকেন ব্যবসায়ীরা।
তাদের দাবি ছিলো-
১. পেট্রোল পাম্পে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অবিলম্বে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ২. হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। ৩. বিপিসি আরোপিত অযৌক্তিক দৈনিক কোটা পদ্ধতি অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। ৪. স্বাভাবিক, বাস্তবসম্মত ও কার্যকর জ্বালানী বিপণন ব্যবস্থা পুনর্বহাল করতে হবে। ৫. সিলেট অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল থেকে সিলেটে এ ধর্মঘট চলমান ছিল। পরে হামলাকারীর দ্রুত বিচার ও পাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। তবে তাদের দাবি পুরোপুরি না মানা পর্যন্ত ব্যবসায়ীরা ডিপো থেকে তেল উত্তোলন ও পরিবহন বন্ধ রাখবেন বলে জানানো হয়েছে।



