চেলা নদীর পাড় কেটে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে চেলা নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদীর পাড় কেটে চলমান বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা

Location :

Dowarabazar
চেলা নদীর পাড় কেটে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ
চেলা নদীর পাড় কেটে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ |নয়া দিগন্ত

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে চেলা নদীর পাড় কেটে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদীর পাড় কেটে চলমান বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের চেলা নদীর সোনাপুর-কাজিরগাঁও গ্রামের নদীর পাড়ে এই প্রতিবাদী বিক্ষোভ মিছিল করে ছাতক ও দোয়ারাবাজার দুই উপজেলার তিন গ্রামের মানুষজন।

এসময় বক্তারা বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তির মদদে একটি বালুখেকো চক্র দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজার মেশিন দিয়ে চেলা নদীর পাড় এবং নদীর তীরবর্তী ফসলি জমি কেটে বালু লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে এলাকায় ব্যাপক আকারে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা একাধিকবার নিষেধ করলেও চক্রটি আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। অনেক সময় প্রতিবাদকারীদেরকে মিথ্যা মামলা ও হামলার হুমকি দেয়। তাই কেউ ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। তাই বালু উত্তোলন বন্ধের মাধ্যমে এলাকা রক্ষার দাবিতে যৌথভাবে ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের কাজিরগাঁও,রহমতপুর এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনাপুর (আংশিক) এলাকার মানুষজন এই বিক্ষোভ মিছিল করে।

এসময় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বালুখেকোদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নিতে ছাতক ও দোয়ারাবাজার দুই উপজেলার প্রশাসনের জোর দাবি জানান।

এতে বক্তব্য রাখেন, কাজিরগাঁও গ্রামের আব্দুল মালিক, মন্তাজ মিয়া, রুশন আলী, খালিক মিয়া, জমির মিয়া, রতন মিয়া, জয়নাল আবেদীন, আশদ মিয়া, মুঞ্জু মিয়া, আল ইসলাম, নুরুল হক, দিলাল মিয়া, রিযাজ উদ্দিন, ইসলাম, ফয়েজ উদ্দিন, আকলুছ আলী,আলাল মিয়া, বাশির মিয়া, মাশুক মিয়া, শামছুদ্দা, মুতলিব, বিল্লাদ,আরিফ আহমদ,আবেদ মিয়া, হেলাল মিয়া, আলমগীর হোসেন, কবির, আলাল মিয়া, কাদির মিয়া, উসমান গনি, মনু মিয়া,শহীদ মিয়া, আব্দুল হেকিম, কাঁচা মিয়া, আমজদ আলী,কালা মিয়া, ছুরত মিয়া, আয়না মিয়া, আছলম আলী, খালিক মিয়া, জানফর আলী, মুনসুর, আব্দুল বারী, মো: মুস্তফা, নিয়াজুল হক, সেবুল মিয়া, রজব আলী।

সোনাপুর গ্রামের মিয়াজান মিয়া, আফজল মিয়া, নুর আলম,আব্দুন নুর,এলেম মিয়া, লিলু মিয়া, শাহিন মিয়া, সনির মিয়া প্রমুখ।

এসময় এসব এলাকার কয়েক শতাধিক নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ বলেন, ‘অবৈধভাবে নদীর পাড় কেটে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। এমন সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে এসব বিষয়ে স্থানীয়দের আরো সচেতন হতে হবে।