যমুনা নদীর ভাঙনে সড়কে ধস, ঢাকা-তারাকান্দী মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

কার্যকর নদী শাসনের ব্যবস্থা না হলে ভবিষ্যতে যমুনা নদীর প্রবাহে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। একটি স্থায়ী বাঁধের ব্যবস্থা হলে সড়ক ও নদীপাড়ের মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

Location :

Tangail
নদী ভাঙনে সড়কে ধস, জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা
নদী ভাঙনে সড়কে ধস, জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা |নয়া দিগন্ত

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া এলাকায় যমুনা নদীতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে ধসে গেছে ঢাকা-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের একাংশ। এতে করে সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষ, হুমকিতে রয়েছে ঘরবাড়িসহ বহু স্থাপনা।

স্থানীয়রা জানান, মাসখানেক ধরে শাখারিয়া-নলিন এলাকায় যমুনার ভাঙন চলছে। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর থেকে ঢাকা-তারাকান্দি সড়কের শাখারিয়ায় ২৫ মিটার অংশজুড়ে ভাঙন শুরু হয়। এতে করে ওই সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যানবাহনগুলোকে বিভিন্ন জায়গা দিয়ে ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। গুণতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রথমেই ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেয়া হলে এমন পরিস্থিতি হতো না। সড়কটি ভেঙে গেলে যোগাযোগ বন্ধসহ ক্ষতিগ্রস্ত হবে হাজারও পরিবার।

স্থানীয় শিক্ষিকা ময়না আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, কার্যকর নদী শাসনের ব্যবস্থা না হলে ভবিষ্যতে যমুনা নদীর প্রবাহে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। একটি স্থায়ী বাঁধের ব্যবস্থা হলে সড়ক ও নদীপাড়ের মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।

এদিকে ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। তিনি বলেন, ‘দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে নদীতে জিও ব্যাগ ফেলাসহ ভাঙন প্রতিরোধে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পাশাপাশি নদীর স্রোতের আঘাত কমাতে সড়কের পাশে বড় বড় গাছ কেটে গাছের গুঁড়ি নদীতে ফেলা হচ্ছে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মাঈন উদ্দীন জানান, ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে বাঁধের সংস্কার কাজ করা হবে।