নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে সুলতানা আক্তার (৪২) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান সাংবাদিকদের জানান, সুলতানা আক্তারের শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
তিনি আরো জানান, বর্তমানে আলী আহমদ মান্নান ৩০ শতাংশ, ছেলে সিয়াম ৭৭ শতাংশ এবং মেয়ে মিমি ৪১ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। পথচারী শিশু হযরত আলীর শরীরের ৮ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে মদনপুরের ছোটবাগ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন— সবজি ব্যবসায়ী আলী আহমদ মান্নান (৫০), তার স্ত্রী গার্মেন্টসকর্মী সুলতানা আক্তার (৪২), ছেলে কলেজশিক্ষার্থী সিয়াম (১৯), মেয়ে স্কুলশিক্ষার্থী মিমি (৯) এবং পথচারী শিশু হযরত আলী (৮)।
দগ্ধদের স্বজনরা জানান, পরিবারটি মদনপুরের একটি একতলা বাড়িতে ভাড়া থাকত। বাসার গ্যাসের চুলার লাইনে লিকেজ থাকায় আলী আহমদ মান্নান নিজেই সেটি মেরামত করেন। পরে তার স্ত্রী রান্নার জন্য চুলা জ্বালানোর কিছুক্ষণ পরই বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে দম্পতি, তাদের দুই সন্তান এবং পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া এক শিশু দগ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।



