চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ শাওন (১৬) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে মেইল হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এমএইচডিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ওই কিশোর।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, গতকাল (সোমবার) রাতে চট্টগ্রাম থেকে নয় দগ্ধ রোগীকে এখানে আনা হয়। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ শাওন নামে এক কিশোর মারা যায়। এর আগে, গতকাল জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা নুরজাহান আক্তার রানীকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরের ১০০ ভাগ দগ্ধ ছিল।
তিনি আরো জানান, শাখাওয়াত ও পাখি আক্তারের শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। শিপনের ৮০ শতাংশ, সামির ও আয়েশার ৪৫ শতাংশ, উম্মে আয়মান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং আনাসের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে নগরীর হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়।
বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো: শিপন (৩১), মো: সামির আহমেদ সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো: শাওন (১৬), সামিরের বড় ছেলে মো: ফারহান আহমেদ আনাস (৬), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে মো: আইমান স্নিগ্ধা (৯), সামিরের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪), সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫) এবং শাখাওয়াতের স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০)।
সূত্র : ইউএনবি



