রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর এফটি-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থী আয়মানের (১০) মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের হাই ডিফেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।
তিনি জানান, আয়মানের শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। শুধু জাতীয় বার্ন ইউনিটে ১৪ জন এবং ঢাকা মেডিক্যালে একজনসহ দুই হাসপাতালেই ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে মৃত্যু হয় শিশু মাহতাব রহমান ভূঁইয়ার (১৪)। এর আড়াই ঘণ্টার ব্যবধানে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাহিয়া তাসনিম (১৫)।
গত সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান। এই বিমান দুর্ঘটনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে, যাদের বেশিভাগই শিশু।
প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজে পোস্ট করা তালিকা থেকে দেখা যায়, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহত ৩২ জন।



