ইসলামবাগে আগুন

অপরিকল্পিত ভবন ও সরু সড়ক কার্যক্রম ব্যাহত করেছে : ফায়ার সার্ভিস

সড়কগুলো এতটাই সংকীর্ণ যে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও কর্মীদের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে পৌঁছা কঠিন হয়ে পড়ে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইসলামবাগে আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা সম্ভব হয়নি
ইসলামবাগে আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা সম্ভব হয়নি |ইন্টারনেট

ভবন নির্মাণ বিধিমালার ব্যাপক লঙ্ঘন ও অতিসরু সড়ক পুরান ঢাকার ইসলামবাগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

আজ বুধবার লালবাগ থানার ইসলামবাগের চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় একটি প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগার পর ঘটনাস্থলে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের (এফএসসিডি) ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক সালেহউদ্দিন আহমেদ একথা জানান।

তিনি জানান, ওই এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনগুলো স্থানীয় বাসিন্দা এবং জরুরি সেবাদানকারী সদস্যদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিল্ডিং কোড অনুসরণ করা হয় না। এতে সেখানে বসবাসকারী মানুষ চরম জীবনঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।’

তিনি বলেন, এলাকার অত্যন্ত সরু সড়ক অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করেছে। সড়কগুলো এতটাই সংকীর্ণ যে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও কর্মীদের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে পৌঁছা কঠিন হয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

আগুন নেভাতে ছয়টি ফায়ার স্টেশন থেকে মোট ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করে।

সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, খবর পাওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শুরু করেন।

এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

এছাড়া আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ভবন নির্মাণ বিধিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং উন্নত নগর পরিকল্পনার ওপর জোর দেন।

সূত্র : বাসস