২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৬ আশ্বিন ১৪৩১, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৬ হিজরি
`

কুষ্ঠ এখনো দুর্ভোগের কারণ

- ছবি : সংগৃহীত

প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের শেষ রোববার বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সে হিসাবে এই বছর ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশে এ দিবসটি পালিত হবে। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো কুষ্ঠ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাহায্য করা। জনবিচ্ছিন্ন কুষ্ঠ আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমাজে পুনঃগ্রহণ, সর্বপ্রকার কুষ্ঠজনিত কুসংস্কার দূরীকরণ। এসব লক্ষ্য সামনে নিয়ে জনসাধারণ এবং কুষ্ঠ আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঠিক তথ্য ও শিক্ষা প্রদান করাই হচ্ছে এ দিবসের লক্ষ্য।

এ বছর এই দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মর্যাদার জন্য একতা’। যারা কুষ্ঠ আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মর্যাদাকে সম্মান জানানোর জন্য একতার প্রতি এ বছরের প্রতিপাদ্যে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক কুষ্ঠবিরোধী সংগঠনগুলোর আন্তর্জাতিক ফেডারেশন ‘আইলেপ’, যা ১৩টি আন্তর্জাতিক এনজিওর সমন্বয়ে গঠিত, এ দিবসটি পালনে উদ্যোগ নেয়। আইলেপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা রাউল ফোলেরো বিশ্বব্যাপী কুষ্ঠ রোগবিষয়ক ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধি কল্পে ও কুষ্ঠরোগের প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ১৯৫৪ সালে দিবসটি উদযাপনের জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

কুষ্ঠ বিষয়টি বাংলাদেশে কম গুরুত্ব পায়। করোনাকালে এটি আরো গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে, তবে আশার কথা হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় কুষ্ঠ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে কুষ্ঠমুক্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

কুষ্ঠ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাচীন রোগ। মানবসভ্যতার বিকাশ ও সামাজিক উন্নতির সাথে সাথে উন্নত দেশগুলোতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব একেবারেই কমে এসেছে। কিন্তু আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কুষ্ঠরোগের প্রাদুর্ভাব এখনো রয়ে গেছে। বর্তমানে বাংলাদেশসহ ব্রাজিল, ভারত, নেপাল, মোজাম্বিক, এঙ্গোলা, কঙ্গো ও তানজানিয়ায় কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত ব্যক্তিরা শনাক্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশে কুষ্ঠরোগের চিকিৎসা বিনামূল্যে করা হলেও এবং নিয়মিত চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিরাময় যোগ্য রোগ হওয়া সত্ত্বেও এখনো রোগটি জনস্বাস্থ্য সমস্যারূপে রয়ে গেছে। দ্য লেপ্রসি মিশন ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশ (টিএলএমআই-বি)-এর মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতি বছর প্রায় ৩৫০০ থেকে ৪০০০ নতুন কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত ব্যক্তি বাংলাদেশে শনাক্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে প্রায় ৮-১০ শতাংশ সময়মতো চিকিৎসার অভাবে পরবর্তীতে পঙ্গু হয়ে যায়।
প্রকটতার দিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশের কুষ্ঠ সমস্যা বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ। প্রতি বছর প্রায় ৩০০০ কুষ্ঠ আক্রান্ত ব্যক্তিদের জটিলতার কারণে হাসপাতালে বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না পেলে আক্রান্ত ব্যক্তিরা পঙ্গুত্ব বরণ করে। এর ফলে এক দুর্বিষহ জীবনের সূত্রপাত হয়।

কুষ্ঠ সাধারণত আক্রান্ত রোগীর প্রান্তিক স্নায়ুর কার্যকারিতা নষ্ট করে। ফলে আঙুল বাঁকা হওয়া, মুখের প্যারালাইসিস, বেদনাহীন ঘাঁ ইত্যাদি বিকলাঙ্গতা দেখা দেয় এবং রোগীর শারীরিক সমস্যার চেয়েও মানসিক ও সামাজিক সমস্যা ও বৈষম্য প্রকটরূপে দেখা দেয়। চামড়ার অবশ দাগ দিয়ে এই রোগ শুরু হয়, অনেক সময় দানা গুটিও দেখা দেয়। চিকিৎসকদের এর মতে, কুষ্ঠরোগ একটি মৃদু সংক্রামক রোগ। দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতার অধিকারী মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়। দরিদ্রতা, অপুষ্টি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস, প্রচুর আলো-বাতাসের অভাব ইত্যাদি এই রোগ সংক্রমণের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়।

১৮৭৩ সালে নরওয়ের চিকিৎসাবিজ্ঞানী ডা: আরমার হ্যানসেন কুষ্ঠরোগের জীবাণু ‘মাইকোব্যাকটেরিয়াম লেপ্রি’ আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের ফলে প্রমাণিত হয় যে, কুষ্ঠ একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, জন্মগত, বংশগত বা অভিশাপের ফল নয়। হাজার হাজার বছর ধরে কুষ্ঠরোগ ও কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত ব্যক্তিগণকে অভিশপ্ত এবং অস্পৃশ্য বলে গণ্য করা হতো এবং অনেককেই দীপান্তরিত, বনবাস, গৃহচ্যুত করা হতো। সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্কগুলো শিথিল হয়ে যেত। হাজার হাজার কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত মানুষ মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হতো।

হাজার বছরের অন্ধ বিশ্বাস আর কুসংস্কার মানুষের মনে এমনভাবে গেঁথে আছে যে, অনেক রোগী সামাজিকতার ভয়ে যথাসময়ে চিকিৎসা নিতে দেরি করে এবং ভয়াবহতা ডেকে আনে। বিকলাঙ্গতাই হচ্ছে কুষ্ঠজনিত সব সামাজিক ও শারীরিক সমস্যার প্রধান কারণ। তাই প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেয়ার সাথে সাথেই চিকিৎসায় আসা অতীব জরুরি প্রতিটি আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য। কুষ্ঠরোগ প্রাথমিকভাবে পর্যায়ে চিহ্নিত হলে ও চিকিৎসার আওতায় এলে কুষ্ঠজনিত প্রতিবন্ধিতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশে কুষ্ঠ নির্মূলের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। কম গুরুত্ব দেয়ায় এ খাতে বাজেট প্রয়োজনের চেয়ে অনেক কম, বাজেট স্বল্পতায় কুষ্ঠবিরোধী কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে রোগী খুঁজে বের করার জন্য প্রশিক্ষিত লোকবলের অভাব, এ রোগকে ঘিরে কুসংস্কার দূরীকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সচেতনতামূলক কার্যক্রমের অভাব আছে। চিকিৎসকদের কুষ্ঠ বিষয়ে ধারণা কম থাকায় রোগী চিহ্নিত করা ও চিকিৎসা কাজ ব্যাহত হয়, দেশের সর্বত্র চিকিৎসা সুবিধা সমানভাবে প্রাপ্তিসাধ্য নয় এবং দেশে কুষ্ঠের কারণে বিকলাঙ্গদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধার অভাব।

আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণত সমাজে কুসংস্কার ও বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকেন। এর ফলে তাদের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, আরোগ্য লাভ এবং সামাজিক কার্যাবলি ব্যাহত হয়। রোগী শনাক্তকরণের জন্য মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় কর্মচারী নেই। আমাদের মেডিক্যাল কলেজগুলোতে কুষ্ঠরোগ বিষয়ে অতি গুরুত্বসহকারে পাঠদান করা হয় না বলে জানা যায়। বাজট স্বল্পতার জন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকদের দক্ষতার উন্নয়ন ঘটানো যাচ্ছে না। অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম চালানো দরকার, এতে ব্যাপক অর্থের প্রয়োজন।

আমাদের দেশে কুষ্ঠের বিশেষায়িত সেবা খুবই অপ্রতুল। কুষ্ঠরোগীদের সেবা দেয়ার জন্য বাংলাদেশে তিনটি সরকারি কুষ্ঠ হাসপাতাল রয়েছে। কিন্তু এসব হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অন্ততপক্ষে দেশের সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কুষ্ঠ সেবা প্রদানের জন্য উপযোগী করা দরকার। এতে স্থানীয় লোকজন এই সেবা সহজেই নিতে পারবে।

কুষ্ঠবিষয়ক প্রায় ৮০ ভাগ স্বাস্থ্যসেবা এনজিও কর্তৃক পরিচালিত হাসপাতালগুলো দিয়ে থাকে। কিন্তু আর্থিক সমস্যায় তাদের এই সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার এগিয়ে না এলে সমস্যা বাড়বে, প্রতিবন্ধিতা আরো বেড়ে যাবে। কুষ্ঠসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ থাকা দরকার। বাজেটে জেলাভিত্তিক বরাদ্দ থাকা প্রয়োজন, যাতে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনরা নিজেদের প্রয়োজনমাফিক বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় করতে পারেন।

দেশে কুষ্ঠজনিত সব প্রতিবন্ধী লোকজনের সঠিকভাবে সামাজিক পুনর্বাসনের প্রয়োজন যেন তারা সমাজে মর্যাদার সাথে বাস করতে পারে। উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে তাদের প্রতিবন্ধিতা কমিয়ে কর্মক্ষম করে তোলা সম্ভব। সব ধরনের বৈষম্য ও কুসংস্কারের অবসান ঘটিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ব্যবস্থা করা দরকার। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও ক্ষমতায়ন করা দরকার যাতে তারা সক্রিয়ভাবে কুষ্ঠ সেবার বিষয়ে অংশ নিতে পারে। আক্রান্তদের ও তাদের পরিবারের জন্য জীবিকা অর্জনে সাহায্য করা দরকার।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রণীত ‘কৌশলগত পরিকল্পনা ২০১৬-২০’ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হওয়া উচিত বলে অধিকার কর্মীরা মনে করেন। ওই পরিকল্পনাতে কুষ্ঠ ও এর জটিলতা দূর করা, বৈষম্য দূর করা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তিকে উৎসাহিত করা, সময়মতো রোগী শনাক্তকরণে গুরুত্ব দেয়া এবং পর্যাপ্ত সম্পদের নিশ্চয়তা দেয়া প্রভৃতি বিষয়ের ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

জনগণকে স্বাস্থ্য শিক্ষা দেয়ার মাধ্যমে এমন একটি অনুক‚ল পরিবেশ তৈরি করা দরকার সেখানে কুষ্ঠরোগীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারবে এবং সামাজিকভাবে সব সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করতে পারে।

কুষ্ঠ বিষয়ে গণমাধ্যমের ইতিবাচক বার্তা প্রচার এ রোগ নির্মূল কার্যক্রমকে গতিশীল করতে পারে। কুষ্ঠ রোগজীবাণু দ্বারা হয়, অভিশাপ নয়। নিয়মিত চিকিৎসা নিয়ে এ রোগে আক্রান্তরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। সমাজের প্রতিটি মানুষের জন্য সমান স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা যাতে নিশ্চিত হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় বার্তা প্রচার করা উচিত। কোথায় চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায় সে বিয়য়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত বার্তা এই রোগ নির্মূলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কুষ্ঠ বিষয়টি যেন গুরুত্ব পায় সে বিষয়েও গণমাধ্যমের জোরালো ভূমিকা থাকা উচিত।

আমাদের একযোগে অসহায়, দরিদ্র, নিপীড়িত কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত মানুষগুলোর জন্য কাজ করতে হবে। কারণ এতগুলো মানুষকে বঞ্চিত রেখে সার্বিকভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত প্রতিবন্ধী মানুষগুলোর পুনর্বাসন এবং সঠিক যতেœর জন্য তাদের পাশে দাঁড়ানো একান্ত প্রয়োজন, যেন আক্রান্ত ব্যক্তিরা পরিপূর্ণ মর্যাদা ও অধিকারের সাথে সমাজে মাথা উঁচু করে চলতে পারেন।

কুষ্ঠরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধীরা দেশের বোঝা নয়, তাদেরও রয়েছে সব নাগরিক সুযোগ সুবিধা পাওয়ার অধিকার। আমাদের জাতীয় সংবিধানে প্রতিটি নাগরিকের সমান সুবিধা নিশ্চিত করে। তাই কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। অধিকারকর্মীরা মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর কুষ্ঠমুক্ত দেশ গঠনের সাম্প্রতিক ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

কুষ্ঠ আমাদের জাতীয় দুর্ভোগের কারণ। আসুন আক্রান্ত ব্যক্তিগণের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাই একত্রে কাজ করি এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে একটি কুষ্ঠমুক্ত দেশ হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হই।

লেখক : ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক
ইমেল : sissabuj@yahoo.com


আরো সংবাদ



premium cement
খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি পরিদর্শনে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল হবিগঞ্জের লাখাইয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে আশুলিয়ায়, এখনো বন্ধ ১৬ কারখানা বৈরুতে ইসরাইলি হামলার পর ‘খুবই উদ্বিগ্ন’ জাতিসঙ্ঘ ইসরাইল-হিজবুল্লাহর পাল্টা-পাল্টি হামলা, পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধের শঙ্কা নানা বিপর্যয় পেরিয়ে শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শুরু চট্টগ্রামে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবক নিহত চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর পক্ষে-বিপক্ষে যত যুক্তি কিয়েভ বেলারুশের বিরুদ্ধে গেলে ‘মারাত্মক পরিণতি’ সম্পর্কে রাশিয়ার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তে অভিবাসী অনুপ্রবেশের হার কমেছে, বলছে হোয়াইট হাউস চেন্নাই টেস্টের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে চায় বাংলাদেশ

সকল