২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১, ২৭ শাবান ১৪৪৬
`
বিডিআর হত্যাকাণ্ড

আওয়ামী লীগ ও ভারতীয় ষড়যন্ত্র!

-

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি, তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর), বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পিলখানার সদর দফতরে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। পরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে, আর এর মাত্র দেড় মাসের মধ্যে ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর হত্যাকাণ্ড ঘটে।

কেন হত্যাকাণ্ডকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা হয়

আওয়ামী লীগের ভূমিকা : আওয়ামী লীগ সরকার যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়। বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে খুনিদের বারবার মিলিত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে তদন্তে। মুজিবনগর সরকার ভারতের সাথে যে সাত দফা চুক্তি করে তার মধ্যে একটি ছিল বাংলাদেশে সেনাবাহিনী থাকবে না।

গোপন সেই ৭ দফা চুক্তিতে আসলে কী ছিল

ভারত বাংলাদেশকে শুরু থেকে কিভাবে দেখছে, সে বিষয়টি আমাদের পরিষ্কার হওয়া দরকার। আপনি যদি ইতিহাসে ফিরে যান ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে, দেখবেন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অস্থায়ী সরকারের শহীদ নজরুল ইসলাম সাহেব যিনি আওয়ামী লীগের চার নেতার একজন ছিলেন, তার সাথে ভারত সরকারের একজন কর্মকর্তার সাত দফা চুক্তি হয়েছিল। অলি আহমেদের ‘জাতীয় রাজনীতি’সহ অনেক বইতে এই চুক্তির উল্লেখ পাবেন। ভারত বাংলাদেশকে শুরু থেকে কিভাবে দেখছে সেটি স্পষ্ট বোঝা যাবে ওই চুক্তি থেকে।

১. চুক্তির প্রথম দফা ছিল যারা সক্রিয় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল শুধু তারাই প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োজিত থাকতে পারবে। বাকিদের চাকরিচ্যুত করা হবে এবং সেই শূন্যপদ পূরণ করবে ভারতীয় কর্মকর্তারা।
২. দ্বিতীয় দফা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে প্রয়োজনীয় ভারতীয় সেনা বাংলাদেশে অবস্থান করবে। কত দিন অবস্থান করবে তার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। আলোচনা-সাপেক্ষে করা হবে। ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাস থেকে শুরু করে প্রতি বছর এই সম্পর্কের পুনঃনিরীক্ষণের জন্য দুই দেশের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
৩. তৃতীয় দফা বাংলাদেশের কোনো নিজস্ব সেনাবাহিনী থাকবে না।
৪. চতুর্থ দফা অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য মুক্তিবাহিনীকে কেন্দ্র করে একটি প্যারা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করা হবে।
৫. পঞ্চম দফা সম্ভাব্য ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অধিনায়কত্ব করবেন ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান। মুক্তি বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নন এবং যুদ্ধকালীন সময়ে মুক্তিবাহিনী ভারতীয় বাহিনীর অধিনায়কের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
৬. ষষ্ঠ দফা দুই দেশের বাণিজ্য হবে খোলাবাজার ওপেন মার্কেট ইকোনমি-ভিত্তিক। তবে বাণিজ্যের পরিমাণ হিসাব হবে বার্ষিক এবং যার যা পাওনা ব্রিটিশ পাউন্ডে পরিশোধ করা হবে।
৭. সপ্তম দফা বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রশ্নে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলবে এবং ভারত যত দূর সম্ভব বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে।

কিছু বইতে রেফারেন্স এসেছে স্বাক্ষর করার পর সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেন্সলেস হয়ে পড়েন।

এতদিন স্বাধীনতার চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ব্যবসায় করে একটি দল পালিয়ে গেছে। কিন্তু এখনো কিছু ‘র’-এর এজেন্টকে চেতনা নিয়ে কথা বলতে দেখি, যারা নিজ দল ও আদর্শের বাইরে গিয়ে শুধু কিছু আওয়ামী ভোটের আশায় পতিত স্বৈরাচারের মতো কথা বলে। জাতি এদের ঠিকই চিনে রাখবে এবং সময় মতো জবাব দেবে।

সেনাবাহিনীর মনোবল দুর্বল করা

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় দেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর একটি বড় অংশ নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়ে।

যেসব প্রশ্নের উত্তর দরকার

হত্যাকাণ্ড দমনে সেনাবাহিনীকে কেন তৎক্ষণাৎ ব্যবহার করা হলো না? আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা কেন এত দীর্ঘায়িত হলো? বিদ্রোহীদের ‘নির্দেশ’ কে দিলো? খুনিরা অনেকেই বলেছিল, তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে দাবি আদায়ের জন্য এমন পদক্ষেপ নিতে। কিন্তু কারা এই নির্দেশ দেয় সেটি স্পষ্ট হয়নি।

কাদের লাভ হলো

হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী (বিডিআর) অকার্যকর হয়ে যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ একটি অস্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে চিত্রিত হয়।

সরকারি তদন্ত ও রায়ের দিক

সরকারি তদন্তে হত্যাকাণ্ড একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দেয়া হলেও এর পেছনে দেশীয় বা আন্তর্জাতিক কোনো শক্তি সরাসরি যুক্ত ছিল কি-না তা নিয়ে পরিষ্কার কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।

সম্ভাব্য ভারতীয় সংযোগের কারণ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় ভারতের আধিপত্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। এ কারণে ভারতের স্বার্থে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা। সীমান্ত নিরাপত্তায় শূন্যতা সৃষ্টি : বিডিআর ছিল বাংলাদেশের মূল সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী। হত্যাকাণ্ডের ফলে বাহিনীটি পুনর্গঠন করতে হয়।

ভারতের সাথে সম্পর্কের পরিবর্তন

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ-ভারত সামরিক সহযোগিতা ও অভ্যন্তরীণ নীতিতে পরিবর্তন আসে। পরবর্তীতে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি পায়, যা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করে।

ভারতীয় মিডিয়ার আগাম রিপোর্টিং

কিছু প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের কয়েকটি গণমাধ্যম হত্যাকাণ্ডের সময় এমন কিছু তথ্য প্রকাশ করেছিল, যা দেখে মনে হয়েছিল তারা ঘটনার ব্যাপারে আগে থেকেই জানত।

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময় ভারতীয় মিডিয়ার কিছু আগাম রিপোর্টিং এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া অনেকের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি করে। হত্যাকাণ্ড শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের কিছু প্রধান ধারার মিডিয়া (যেমন টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দু, এনডিটিভি) ওই ঘটনার বিস্তারিত কাভারেজ দিতে শুরু করে। এমনকি কিছু মিডিয়া দাবি করেছিল, তারা বিদ্রোহের কারণ, সেনা কর্মকর্তাদের হতাহতের সংখ্যা ও পরিস্থিতির ভবিষ্যৎ গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য পাচ্ছে। কিছু ভারতীয় মিডিয়া শুরুতেই বলেছিল, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই বিদ্রোহ দমন করতে পারবে না এবং সরকার আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবে’ যা পরে সত্যি হয়। এর পাশাপাশি তারা দাবি করেছিল, বিদ্রোহীরা দীর্ঘদিন ধরে অসন্তুষ্ট ছিল এবং এটি ছিল ‘সুযোগের অপেক্ষায় থাকা’ একটি ঘটনা।

সন্দেহজনকভাবে দ্রুত প্রতিক্রিয়া

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ওই সময় বাংলাদেশের সীমান্তে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছিল, যা দেখে অনেকে মনে করেন, ভারত আগেভাগেই কিছু জানত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়, যা অনেকের কাছে সন্দেহজনক লেগেছিল।

কাকতালীয় নাকি পরিকল্পিত

ভারতীয় মিডিয়ার এমন তথ্য প্রকাশ নিছক সাংবাদিকতার দক্ষতা নাকি পূর্বপরিকল্পিত কিছু ছিল তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো হয়তো আগে থেকেই কিছু তথ্য পেয়েছিল কিন্তু তারা এটি বাংলাদেশের সাথে শেয়ার করেনি।
নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি

হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ সরকার ভারতের সাথে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরো বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়। বাংলাদেশ-ভারত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে সামরিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার দিকে অগ্রসর হয়। বাংলাদেশে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা নীতিতে ভারতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ হস্তক্ষেপ বাড়তে থাকে।

সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতার নামে ভারতের প্রভাব বৃদ্ধি

হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ সরকার ভারতের সাথে গোয়েন্দা সহযোগিতা বাড়ায়, যার ফলে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা কাঠামোতে গভীরভাবে প্রবেশের সুযোগ পায়।

ভারতের সাথে সামরিক মহড়া ও যৌথ অভিযান (যেমন সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান) বাড়তে থাকে। বাংলাদেশে ভারতীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের সরবরাহ শুরু হয় ও সামরিক প্রশিক্ষণের নামে লেনদেন বৃদ্ধি পায়। ভারত-বাংলাদেশ ট্রানজিট সুবিধা, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারত আরো সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যায়।

সেনাবাহিনীর ওপর প্রভাব

নিহত সেনা কর্মকর্তারা দক্ষ ও অভিজ্ঞ ছিলেন। তাদের মৃত্যুতে যোগ্য ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের অভাব দেখা দেয়। ভবিষ্যতে যারা উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বে আসতেন, তাদের বড় একটি অংশ হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এটি সেনাবাহিনীর মনোবলে চরম আঘাত। তারা মানসিক ও সাংগঠনিক ধাক্কা খান। তারা সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতা নিয়ে অসন্তুষ্ট হন, কারণ হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। সেনাবাহিনীর ভেতরে হতাশা ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। সেনা কর্মকর্তারা বিডিআরের নেতৃত্ব দিতেন কিন্তু ওই হত্যাকাণ্ডের পর বিজিবিতে (সাবেক বিডিআর) সেনাবাহিনীর উপস্থিতি কমিয়ে দেয়া হয়। এতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী পরিচালনায় পরিবর্তন আসে এবং সামরিক নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল হয়ে যায়।

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব

হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর পুনর্গঠন করা হলেও সেই শূন্যতা পূরণ করা সহজ ছিল না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ঐতিহাসিকভাবেই দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে, প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের বিষয়ে সেনাবাহিনী বরাবরই একটি বাস্তববাদী ও কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে।

ভারত ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী : ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্বাধীনতার পর থেকেই ভারতের সাথে সীমান্ত সমস্যা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক আধিপত্যবাদ ইস্যুতে সতর্ক থেকেছে। ভারতের সাথে বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত দ্বন্দ্ব, তিস্তা চুক্তি, ট্রানজিট ইস্যু ও সামরিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার বিষয়ে সেনাবাহিনী বেশ সংবেদনশীল থেকেছে। ভারত চায় বাংলাদেশ সরকার তাদের নীতির প্রতি অনুগত থাকুক কিন্তু সেনাবাহিনী একটি স্বাধীন শক্তি হিসেবে দৃশ্যপটে আসে যা ভারত সহ্য করতে চায় না।

আওয়ামী লীগ ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ক্ষমতায় বসেছিল। ১৬ বছর ধরে গুম, খুন, টাকা পাচার, দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা, সব কিছুতে ভারত সমর্থন ও সহযোগিতা করে যায়। ভারতের গোপন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ একটি মীরজাফরের দলে পরিণত হয়। দেশকে ভারতের কলোনি বানানোর সব ব্যবস্থা মুজিব পরিবারের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ করেছে। বিপ্লবের পর খুনি হাসিনাকে সাঙ্গোপাঙ্গসহ সবাইকে ভারত আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের শত্রুরাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে এবং বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারত একের পর এক ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বিডিআরের ঘটনা কোনো বিদ্রোহ ছিল না এটি ছিল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, বিডিআরের নাম পরিবর্তন ঠিক হয়নি, কারণ এটি বিদ্রোহ ছিল না, ছিল ষড়যন্ত্রের অংশ।

লেখক : সিনিয়র ফেলো, এসআইপিজি,
নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটি
e-mail : [email protected]

 


আরো সংবাদ



premium cement
ইংল্যান্ডের বিদায়, আশায় আফগানিস্তান পাটজাত পণ্যে ভারতের অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্কের সমাধান চায় বিজেএসএ আমরা ক্ষমতায় গেলে পুঁজিবাজারকে ধারণ করব : আমীর খসরু প্রহসনের কোনো নির্বাচনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ অংশ নেয়নি : আব্দুল আজিজ হাওলাদার ১-৩ গোলে হার বাংলাদেশের ব্যাংকে কত টাকা আছে জানালেন নাহিদ ইসলাম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একাংশের বিক্ষোভ আজ ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে রাখাইনে স্বীকৃতি পেতে পারে আরাকান আর্মি ভোরে পুলিশের টহল কার্যক্রম পরিদর্শন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ছাত্রদের নতুন কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বেসরকারি শিক্ষার্থীদের ইংল্যান্ডকে বিদায় করে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল আফগানিস্তান

সকল