মাঠে নামেনি রাজশাহীর বিদেশীরা
বিশেষ ব্যবস্থায় দেশীদের নিয়ে ম্যাচ- ক্রীড়া প্রতিবেদক
- ২৭ জানুয়ারি ২০২৫, ০০:০০
আগে থেকেই ঘোষণা ছিল এবারের বিপিএল হবে ভিন্ন মাত্রার। আসলেই হচ্ছে ভিন্ন, আর সেটি বিতর্কের। অনেকেই অবজ্ঞা ও উপহাস করে বলছে, এটি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ নয়- এটি হচ্ছে বিতর্কের প্রিমিয়ার লিগ।
প্রতি আসরেই অদ্ভুত সব ঘটনা দিয়ে সাজানো থাকে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। এবার যেন সব কিছুকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট আসরটি। খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ইস্যুতে আগের আসরগুলোতেও কম বেশি সমালোচনা ছিল। কিন্তু এবার রাজশাহী ফ্র্যাঞ্চাইজির পেশাদারিত্বের অভাব প্রকটভাবেই ফুটে উঠেছে। কয়েক দফা তাদের ক্রিকেটাররা অনুশীলন বয়কট করেছেন। এবার তো ম্যাচ বয়কটের হুমকি। তবে স্থানীয় ক্রিকেটারদের বুঝিয়ে শুনিয়ে মাঠে আনা গেলেও বিদেশীদের মাঠে আনতে পারেননি দলটির কর্ণধাররা। ফলে স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়েই মাঠে নামতে হয়েছে রাজশাহীকে। যা বিপিএলের সব আসরকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।
অবশ্য বিশেষ ব্যবস্থায় স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে মাঠে নামার সুযোগ করে দিয়েছে বিপিএলের টেকনিক্যাল কমিটি। বিসিবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘বিদেশী খেলোয়াড়রা না থাকায় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে শুধুমাত্র বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে নামার জন্য বিশেষ অনুমোদন চেয়েছে দুর্বার রাজশাহী। ম্যাচ প্লেয়িং কন্ডিশনের ১.২.৮ ক্লজ অনুযায়ী টেকনিক্যাল কমিটি এই ম্যাচের জন্য শুধু বাংলাদেশী খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে নামার অনুমতি দিয়েছে।’
এটা শুধু গতকাল ম্যাচের আগের ঘটনা নয়। এটি চলছিল গত শনিবার গভীর রাত থেকে। আকস্মিকভাবে দুর্বার রাজশাহীর ক্রিকেটারদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানানো হয় হোটেল বদলের কথা। টিম হোটেল বদলে দলের খেলোয়াড়েরা বিরক্ত, হতাশ। আরো একবার পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে দুর্বার রাজশাহীর। বিপিএল ২০২৫ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিতর্কিত দলটি। বকেয়া পারিশ্রমিকের ইস্যু লেগেই আছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সাথে।
চট্টগ্রামে অনুশীলন বাতিলের ঘটনার পর এবার চরম অসন্তুষ্টি বিদেশী ক্রিকেটারদের মধ্যেও। মালিকপক্ষ একাধিকবার পারিশ্রমিক পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘন ঘন নতুন তারিখ ঘোষণা করলেও অগ্রগতি দেখা যায়নি। বিপিএলের চট্টগ্রাম-পর্বের শুরুতেই দলের ক্রিকেটারদের অনুশীলন বয়কটের ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে মালিকপক্ষের সাথে কয়েক দফা আলোচনার পর ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক দেয়া হয়েছিল। সেই পারিশ্রমিকের একটা অংশ চেকের মাধ্যমে দেয়ার পর চেক ব্যাংকে বাউন্স করে। এতে ক্রিকেটারদের ক্ষোভ আরো বেড়ে যায়।
রাজশাহীর এক বিদেশী ক্রিকেটার জানান, ‘বিপিএল শেষ হয়ে যাচ্ছে, আমাদের হাতে একটি চুক্তিপত্র এলো, কিন্তু টাকা-পয়সার বিষয়টার সুরাহা হয়নি। ভবিষ্যতে এখানে খেলতে আসার আগে খুব ভেবে সিদ্ধান্ত নেব।’ আরেকজন জানিয়েছেন, তাদের কাছে পারিশ্রমিকের বিষয়টি পরিষ্কার নয়, এই পরিস্থিতিতে খেলা চালিয়ে যাওয়া কঠিন।
আরো সংবাদ
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা