চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রাম চেম্বারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। চেম্বারের নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম পরিচালক মনোয়ারা বেগমের ঘোষিত ফলাফলে অর্ডিনারি গ্রুপে ১২ জন এবং অ্যাসোসিয়েট গ্রুপে ছয়জন নির্বাচিত হন। এ ছাড়া বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ট্রেড গ্রুপ থেকে তিনজন ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন থেকে তিনজন নির্বাচিত হয়েছেন। চারটি ক্যাটাগরি থেকে সর্বমোট ২৪ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।
‘অর্ডিনাডিনারি গ্রুপ’ থেকে ১২টি পদে নির্বাচিত পরিচালকরা হলেন- রাজা করপোরেশনের কামাল মোস্তফা চৌধুরী (প্রাপ্ত ভোট ১৪০৫), ফাল্গুনী ট্রেডার্স লিমিটেডের এ এস এম ইসমাইল খান (১৩৭৪), চুমকি অ্যাপারেলস লিমিটেডের আবু হায়দার চৌধুরী (১৩৬৪), রাইজিং কম্পিউটার স্কেলর মো: আমজাদ হোসেন চৌধুরী (১৩৫২), ইস্টার্ন অ্যাপারেলস লিমিটেডের মো: নাসির উদ্দিন চৌধুরী (১৩২১), টার্নিং পয়েন্টর আসাদ ইফতেখার (১৩০৬), স্টিভিডোর ফ্রেন্ডস সিন্ডিকেট লিমিটেডের আমান উল্লা আল ছগির (১২৭৭), প্রান্তিক মেরিন সার্ভিসেস লিমিটেডের মো: গোলাম সরওয়ার (১২৫৯), দি ফোর হুইলারসর মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান (১২৫৯), নিউ কর্ণফুলী ট্রেডিংর মোহাম্মদ শফিউল আলম (১২৪৯), জেএসএন এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (১২১১) ও স্ট্যান্ডার্ড লজিস্টিক্স সার্ভিসেসর শহীদুল আলম (১২০৯)।
‘অ্যাসোসিয়েট গ্রুপ’ থেকে ছয়টি পদে নির্বাচিত পরিচালকরা হলেন, জার ট্রেডর মো: জাহিদুল হাসান (প্রাপ্ত ভোট ৬৮৭), স্বদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (ইউনিট-২)’র মো: নুরুল ইসলাম (৬৬১), জেকো এন্টারপ্রাইজর মো: সেলিম নুর (৬৪৬), সাহির ট্রেডর সরোয়ার আলম খান (৬৪১), মনোয়ারা ট্রেডিংর মোহাম্মদ মশিউল আলম (৬৩২) ও মার্স মেরিটাইম সার্ভিসেস অ্যান্ড ইন্সপেকশনের মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ (৬১৮)। ‘ট্রেড গ্রুপ’ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত তিন পরিচালক হলেন- রোকনূর কর্পোরেশনের মোহাম্মদ আমিরুল হক, পিএইচপি মোটরস লিমিটেডের মোহাম্মদ আকতার পারভেজ ও চট্টগ্রাম ট্রেড এজেন্সির এস এম সাইফুল আলম। ‘টাউন অ্যাসোসিয়েশন’ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত তিন পরিচালক হলেন পাবলিক ইলেকট্রিকর আফসার হাসান চৌধুরী, এম এন্টারপ্রাইজের মোহাম্মদ মনির উদ্দিন ও অর্কিড ট্রেডিংর মোহাম্মদ সাজ্জাদ উন নেওয়াজ। এর আগে গতকাল দু’টি প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলের মধ্যে এক প্যানেলের বর্জনের মাধ্যই সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন। ২০১৩ সালের পর ভোটের আমেজ ফিরে এলেও এক পক্ষের বর্জনের কারণে তা পরিপূর্ণতা পায়নি। তবে প্রতিদ্ধন্ধিতাহীন নির্বাচনেও ভোটকেন্দ্র এবং আশপাশের এলাকায় বেশ ভিড় দেখা গেছে।



