বিনোদন প্রতিবেদক
পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধমকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার একটি আদালত। মামলাটি দায়ের করেছিলেন আমিরুল ইসলাম। তবে এই বাদিকে মেহজাবীন চেনেন না বলে সামাজিকমাধ্যমে জানিয়েছেন। এটিকে তিনি হয়রানি হিসেবেও উল্লেখ করছেন। বাদী আমিরুল ইসলাম সম্পর্কে জানা যাচ্ছে যে, তার বাবার নাম মৃত সাদেক আলী। বর্তমানে তিনি থাকেন ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদির নামাপাড়ায়। তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরের ফতেহপুরে।
মামলায় সূত্রে জানা যায়, বাদির সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আসামি মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন।
এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বাদি বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দেব কালকে দেব বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করে।
এতে আরো বলা হয়, পরবর্তী সময়ে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওই দিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতপরিচয় ৪-৫ জন তাকে গালগাল করে।
তারা বলেন, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না’ তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।
এসব কথা বলে তারা বাদিকে জীবননাশের হুমকি দেয় ও ভয় দেখায়। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা করার জন্য পরামর্শ দেয়।
এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদি হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা করেন। মামলাটিতে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ধার্য ছিল। তবে তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সাথে গ্রেফতারসংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।



