ইউক্রেনের বিস্ফোরকবাহী বিমানের ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে অবতরণ

ইউক্রেনের একটি বিমান ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে সাময়িকভাবে অবতরণ করলে বিস্ফোরক থাকায় বিমানটিকে আটকে রাখা হয়। বিমানটি লিবিয়া যাচ্ছিল। পরে বিমানটিকে উড্ডয়নের অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইউক্রেনের বিস্ফোরকবাহী বিমানের অবতরণ
ইউক্রেনের বিস্ফোরকবাহী বিমানের অবতরণ |সংগৃহীত

ইউক্রেনের একটি বিমান ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে সাময়িকভাবে অবতরণ করলে বিস্ফোরক থাকায় বিমানটিকে আটকে রাখা হয়। বিমানটি লিবিয়া যাচ্ছিল। পরে বিমানটিকে উড্ডয়নের অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার (১৫ মে) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

বিমানটি বাহামাস থেকে আসছিল এবং বৃহস্পতিবার রাজধানী পোর্ট অব স্পেনের পিয়ারকো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জ্বালানি নেয়ার জন্য অবতরণ করে। সেখান থেকে বিমানটির কেপ ভার্দে হয়ে লিবিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করার কথা ছিল, যা নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সন্দেহের কারণ হয়।

ত্রিনিদাদ ও টোবাগো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ (এএটিটি) এক বিবৃতিতে জানায়, বিমানটি অবতরণের পর অভিবাসন বিভাগের কর্মকর্তারা দেখতে পান যে এতে এমন বিস্ফোরক রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ও নিরাপত্তা নিয়ম অনুযায়ী বিমানটি যথাযথভাবে এটি জানায়নি।

ত্রিনিদাদ ও টোবাগো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাইলট বা ক্রুদের কোনো দায় খুঁজে পাওয়া যায়নি।

ফলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বিমান ও ক্রুদের দেশ ছাড়ার অনুমতি ও উড্ডয়নের জন্য ছাড়পত্র দেয়া হয়।

কার্নিভাল ও সৈকতের জন্য বিখ্যাত হলেও ভেনিজুয়েলার উপকূল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইংরেজি ভাষা-ভাষী ছোট্ট দ্বীপপুঞ্জ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো মাদক পাচারের একটি রুট হিসেবে পরিচিত।

২০২১ সাল থেকে অপরাধপ্রবণতার কারণে দেশটি চারবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।

সূত্র: বাসস