নামাজীর পাঁচ পুরস্কার
- শাব্বির আহমাদ খান
- ২৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০০:০০
আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তিনি অদ্বিতীয়। মুহাম্মদ সা: আল্লাহর রাসূল। এই বিশ্বাস অন্তরে প্রোথিত করা ও মুখে স্বীকারোক্তির নাম ‘ঈমান’। যে ব্যক্তি এ কথা বিশ্বাস করে এবং স্বীকার করে, সে মুমিন মুসলমান। মুমিনের প্রথম কাজ নিয়মিত নামাজ আদায়।
শরিয়তের বিধানগুলোর মধ্যে নামাজ অন্যতম। এটি ফরজ, অর্থাৎ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য বাধ্যতামূলক। একজন মুমিন মুসলমানকে দিন-রাত মিলিয়ে পাঁচবার নামাজ পড়তে হয়।
ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি। তার মধ্যে দ্বিতীয়টি হলো নামাজ। ঈমান আনার পর মুসলমান হিসেবে দায়িত্বও এটি। কুরআনের ৮২টি জায়গায় নামাজের কথা এসেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত দাও এবং যারা রুকু করে তাদের সঙ্গে রুকু করো।’ (সূরা বাকারাহ : ৪৩)
অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমরা নামাজ পড়ো। নামাজ শেষে আল্লাহকে ডাকো। বিপদমুক্ত হলে যথাযথভাবে নামাজ আদায় করো। মুমিনদের জন্য নির্ধারিত সময়ে নামাজ ফরজ।’ (সূরা নিসা : ১০৩)
নামাজের ফজিলত
নামাজের অন্যতম ফজিলত হলো, এটি স্রষ্টাকে সিজদা করে আনুগত্য প্রকাশের এক অনন্য মাধ্যম। নামাজের মাধ্যমে আমরা যে বিনয়, ত্যাগ, কোরবানি ও আনুগত্য প্রকাশ করি, তা অন্য কোনো ইবাদতের মাধ্যমে সম্ভব নয়। নামাজ স্রষ্টার নৈকট্য অর্জনের এক মহৎ উপায়। এজন্যই আল্লাহ তার প্রিয় বন্ধুকে ডেকে বলেন, ‘হে বস্ত্রাচ্ছাদিত! রাতের কিছু সময় নামাজ পড়ো। অর্ধরাত কিংবা তার চেয়ে কিছু কম বা বেশি। আর কুরআন পড়ো স্পষ্টভাবে।’ (সূরা মুজাম্মিল ১-৪)
যে ব্যক্তি যথাযথভাবে নামাজ আদায় করে, তার জন্য আল্লাহ পাঁচটি পুরস্কার ঘোষণা করেছেন :
১. রিজিকের সঙ্কীর্ণতা ও জীবনের চিন্তা দূর করবেন।
২. কবরের আজাব থেকে মুক্তি দেবেন।
৩. আমলনামা ডান হাতে দেবেন।
৪. বিদ্যুৎগতিতে পুলসিরাত পার করাবেন।
৫. বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
কুরআন ও হাদিসে নামাজের গুরুত্ব পরিষ্কার। নামাজ হলো মুমিনের মিরাজ। যথাযথ নামাজ আদায় করলে প্রভুর পক্ষ থেকে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক কল্যাণ নিশ্চিত। হৃদয়ও হয় পরিষ্কার। এভাবে নামাজের বহু উপকারিতা রয়েছে। এজন্যই সব ফরজ ইবাদতের মধ্যে নামাজের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি।
লেখক : শিক্ষার্থী, জামিয়া ইমদাদিয়া দারুল জান্নাত, ঢাকা
আরো সংবাদ
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা