দাগনভুঞায় স্কুলে চুরি

ল্যাবে থাকা মোট ১৯টি কম্পিউটারের মধ্যে ১৩টির ভেতরের মূল্যবান যন্ত্রাংশ (র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি-র‍্যাম, সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট-প্রসেসর ও সলিড স্টেট ড্রাইভ-এসএসডি) খুলে নিয়ে গেছে।

দাগনভূঞা (ফেনী) সংবাদদাতা

Location :

Feni
কম্পিউটার ল্যাবে চুরি
কম্পিউটার ল্যাবে চুরি |নয়া দিগন্ত

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মমারিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার কম্পিউটার ল্যাবে এক চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সংঘবদ্ধ চোরচক্র ১৯টি কম্পিউটারের র‍্যাম, প্রসেসর ও এসএসডিসহ মূল্যবান সামগ্রী চুরি ও ভাঙচুর করেছে।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৮টা ২১ মিনিটের দিকে নাইট গার্ড রিটন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ফোনে বিষয়টি অবহিত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, ল্যাবে থাকা মোট ১৯টি কম্পিউটারের মধ্যে ১৩টির ভেতরের মূল্যবান যন্ত্রাংশ (র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি-র‍্যাম, সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট-প্রসেসর ও সলিড স্টেট ড্রাইভ-এসএসডি) খুলে নিয়ে গেছে। বাকি ১৬টি কম্পিউটার ভাঙচুর করে নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে চুরির দরুন মোট ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা মুহিদ চৌধুরী নয়া দিগন্ত কে বলেন, ‘বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রাত ১২টার দিকে চোর ল্যাব রুমে প্রবেশ করে এবং দীর্ঘ সময় অবস্থান করে রাত ৩টার দিকে বের হয়ে যায়। রাতে বিদ্যালয়ের মূল ফটক এবং ল্যাব রুমের দরজা যথারীতি তালাবদ্ধ ছিল। চোর চক্র ল্যাব রুমের দরজার প্যাচ বল (লক) ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ঘটনা চলাকালীন বিদ্যালয়ে সফিকুল ইসলাম রিটন নামের একজন নাইট গার্ড (নৈশপ্রহরী) দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।’

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মমারিজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘সকালে নাইট গার্ড রিটন আমাকে ফোন করে ল্যাবে চুরির ঘটনাটি জানায়। আমি দ্রুত স্কুলে এসে দেখি ল্যাবের ভেতরের কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও সামগ্রী পুরো কক্ষ এবং স্কুলের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে আমি বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করি।’

খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়জুল আজিম নোমান নয়া দিগন্তকে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।