আ’লীগ নেতা হত্যায় মামলার প্রস্তুতি, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক
- মোহাম্মদ আলী ঝিলন, গাজীপুর
- ০১ জানুয়ারি ২০১৯, ১১:২৭
গাজীপুরে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় নিহত আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত হোসেনের দাফন হয়েছে সোমবার। আওয়ামী লীগ নেতা হত্যার এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ৩/৪জনকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এদিকে হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জানা গেছে, গাজীপুরে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ও মারধরে নিহত আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত হোসেনের ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের শহীদ বরকত ষ্টেডিয়ামে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খানসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার ওসি সমির চন্দ্র সূত্রধর জানান, নির্বাচনের দিন লিয়াকত হোসেনকে হত্যার ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম ঘটনার পর থেকেই কাজ করছে। ইতোমধ্যে ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুইজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
এদিকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ রফিজ উদ্দিন জানান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার হাড়িনাল উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে রোববার দুপুরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বানের ভোটগ্রহণ করা হচ্ছিল। এসময় কেন্দ্রের বাইরে বসে থাকা আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের চার নেতার উপর লাঠি-সোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ৪০-৫০ জনের একদল যুবক। এতে কাজী আজিম উদ্দিন কলেজের ছাত্রলীগের সাবেক ভিপি মোঃ লিয়াকত হোসেন (৪০)সহ যুবলীগের মোঃ আশরাফ (৪০), আওয়ামী লীগের খায়রুল ইসলাম (৪০) ও গণি মিয়া (৪২) আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে নেয়ার পর লিয়াকত হোসেন মারা যায়। নিহত লিয়াকত গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুদ রানা এরশাদের বড়ভাই।
আরো সংবাদ
-
- ৫ঃ ৪০
- খেলা