ঢাকা, বৃহস্পতিবার,২৭ জুন ২০১৯

আরো খবর

সোনারগাঁওয়ে মৃত বিএনপি নেতা নাশকতার মামলায় আসামি

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮,মঙ্গলবার, ০০:৪৫


প্রিন্ট
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিএনপির ৫৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ৪০-৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় আসামিদের মধ্যে রয়েছেনÑ দেড় বছর আগে মারা যাওয়া বিএনপি নেতা ও বছরখানেক ধরে প্যারালাইজড থাকা সোনারগাঁও থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। গত শনিবার রাতে সোনারগাঁও থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল হাসান বাদি হয়ে একটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে ৫ নম্বর আসামি করা হয়েছে সোনারগাঁও থানা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মজিবর রহমানকে। তিনি এলাহীনগরের মৃত লাল মিয়ার ছেলে। তিনি দেড় বছর আগে মারা গেছেন। মৃত ব্যক্তির নামে মামলা হওয়ায় গত রোববার রাত থেকে গতকাল সোমবার সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। 
তার নাম উল্লেখ করে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত শনিবার সকাল ১০টায় এসব আসামিসহ অজ্ঞাত ৪০-৫০ জন সোনারগাঁও কাজী ফজলুল হক উইমেন্স কলেজের সামনে দা, চাপাতি, রড, হকিস্টিক ও ইটপাটকেল ইত্যাদি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মিছিল শুরু করে। আকস্মিকভাবে তারা পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা ইটপাটকেল নিপে ও ছয়-সাতটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। আসামিরা পালিয়ে গেলে সেখান থেকে ককটেলসহ বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
মজিবর রহমানের ছেলে শুভ জানান, ২০১৬ সালের ২৬ অক্টোবর আমার বাবা মারা যান। 
এ দিকে মামলার ১১ নম্বর আসামি করা হয়েছে সোনারগাঁও থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফকে। তিনি বর্তমানে প্যারালাইজড হয়ে সাভার সিআরপিতে ভর্তি রয়েছেন।
জানতে চাইলে মোবাইল ফোনে রউফ জানান, ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসের ২৩ তারিখ রাতে স্ট্রোক করে আমার এক সাইড প্যারালাইজড হয়ে যায়। এর মধ্যে দুইবার ভারতে নিয়ে আমার পরিবার আমাকে চিকিৎসা করিয়েছে। বর্তমানে আমি সাভার সিআরপিতে ভর্তি আছি। আমার হাত ও পা কাজ করে না। কারো সাহায্য নিয়ে আমাকে প্রতিনিয়ত চলতে হয়। ১৩ মাস ধরে একেবারেই সব রাজনৈতিক কার্যক্রম থেকে বিরত রয়েছি।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫